প্রানিসেবা শপ | প্রানিসেবা ভেট | যোগাযোগ | আপনার জিজ্ঞাসা | ব্লগ     01847469945        BN | EN

গরুকে কৃমিনাশক দেয়ার প্রয়োজনীয়তাঃ

গরুকে টীকা দেয়ার আগে অবশ্যই কৃমিনাশক প্রদান করা প্রয়োজন , এতে যেমন গরুর কৃমি দূরীভূত হয় তেমনি টীকার কার্যকারিতাও অনেক গুন বেড়ে যায়।

1. কৃমিনাশক সুস্থ গরুকে নিশ্চিন্তে দেয়া যায় আর এতে কোন ক্ষতি হওয়ার সম্ভাবনা নেই ।
2. সকালে খালি পেটে কৃমিনাশক দিলে সবচেয়ে ভাল ফলাফল পাওয়া যায়।
3. দানাদার খাবার পানির সাথে কৃমিনাশক দিলে কোন কাজ করবেনা।
4. ট্যাবলেট গুড়া করে চিটাগুড় বা কলার পাতার সাথে মুড়িয়ে খালি পেটে খাওয়াতে হবে।


5. কৃমিনাশক ঔষধ খাওয়ানোর পর কমপক্ষে ১ ঘন্টা কোন ধরনের খাবার দেয়া যাবে না।
6. অত্যন্ত গরমের ভিতর না খাওয়ানোই ভাল।যদি খাওয়াতেই হয় তাহলে খাওয়ানোর সাথে সাথে গরুকে ১০/১৫ মিনিটের মত সময় ধরে গোসল করাতে হবে ও ফ্যানের নিচে রাখতে হবে।
7. কৃমিনাশক ঔষধ নির্দিষ্ট মাত্রার চেয়ে সামান্য পরিমান বেশি খাওয়ালে তেমন কোন ক্ষতি হবে না।
8. মাত্রার চেয়ে কম খাওয়ালে কৃমিতো মরবেই না বরং আরও সক্রিয় হবে।
9. গাভীর বাচ্চা দেয়ার কমপক্ষে ৪৫ দিন পর কৃমিনাশক ব্যবহার করুন কিন্তু এর আগে না।
10. আট মাসের উপর গর্ভবতী গাভীকে কৃমিনাশক খাওয়া উচিত নয়।
11. নিয়মিত ৩ মাস পর পর সকল গরুকে কৃমিনাশক ঔষধ খাওয়াতে হবে।
12. সদ্য ভুমিষ্ঠ গরুর বাচ্চাকে জন্মের ৫/৭ দিনের মধ্যে পাইপারজিন গ্রুপের কৃমিনাশক পাউডার খাওয়াতে হবে। এবং ৬ মাস বয়স পর্যন্ত প্রতি মাসে ১টি করে অ্যালবেন্ডাজল গ্রুপের ট্যাবলেট খাওয়াতে হবে।
13. প্রতিবার কৃমিনাশক ঔষধ খাওয়ানোর পর অবশ্যই মাত্রানুযায়ী লিভার টনিক খাওয়াতে হবে। কৃমিনাশক ঔষধ খাওয়ানোর পর যদি খাওয়ার রুচি কম হয় তাহলে রুচিবর্ধক পাউডার/ট্যাবলেট খাওয়ালে দ্রুত রুচি ফিরে আসে।